Friday, 18 October 2013
কোজাগরী কবিতা ২
আয়নামহলের টেক্সটগুচ্ছ
-সোমতীর্থ নন্দী
৭
এক বিস্তীর্ণ নানুকের মত আমার জুতো পড়ে থাকে ভালোবাসার ধারে
তোমার প্রাজ্ঞ্যতা আমার সমস্ত নিবিড় জুড়ে
সাত সওদাগরের মৃত্যমুখ দেখিয়ে থাকে,
আট রাস্তার পথ হেঁটে যাই আমি, আমার একেলা ছায়া
পড়ে থাকে তোমার অনন্ত আসবাবে...
৮
নীল আলো শুধু তোমার ঘরে
রাত ভোলানো ওগো বন্দনাগান,
কুদরতী খিদের স্বপ্ন
শেকল বাঁধার সেইসব নীল আলো ফুটে থাকে
তোমার আলো, বেঁকে যাওয়া সেইসব
নাভির আয়না...
এক বিস্তীর্ণ নানুকের মত আমার জুতো পড়ে থাকে ভালোবাসার ধারে
তোমার প্রাজ্ঞ্যতা আমার সমস্ত নিবিড় জুড়ে
সাত সওদাগরের মৃত্যমুখ দেখিয়ে থাকে,
আট রাস্তার পথ হেঁটে যাই আমি, আমার একেলা ছায়া
পড়ে থাকে তোমার অনন্ত আসবাবে...
৮
নীল আলো শুধু তোমার ঘরে
রাত ভোলানো ওগো বন্দনাগান,
কুদরতী খিদের স্বপ্ন
শেকল বাঁধার সেইসব নীল আলো ফুটে থাকে
তোমার আলো, বেঁকে যাওয়া সেইসব
নাভির আয়না...
কোজাগরী কবিতা ১
সভ্যতা থেকে হারিয়ে যাওয়ার পূর্বে যে গানগুলি গাওয়া হয়েছিল
-অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়
ছাদ # ২
শেখ মুজিবের চোখ পরিপাটি ছিল
দেবদারু পাতার গন্ধ চশমার কাঁচে
মোজার তলা দিয়ে বয়ে চলেছে ব্রহ্মপুত্র
কার্নিশে রেডিও আর ছাদে রাখা সামার অফ সিক্সটি নাইন…
স্বাধীনতা ঘোষণার পরদিন থেকে ওপারের সমস্ত গাছগুলোও বাঙালি হয়ে উঠেছিল। এপারের বাতাস নতুন সন্দেশ
নিয়ে দিনে দু’বার ক’রে পূর্বনির্ধারিত স্থানে। সংঘর্ষ সেজে উঠছিল যেমন বীরেন্দ্র ভদ্র ; সর্ষে বাটার রঙ থেকে তৈরি হচ্ছিল আগ্নেয়াস্ত্র ঘরে ঘরে নোড়ার
শব্দ ছাপিয়ে গেছিল বিউগল
পাজামার ঘের ছোট ক’রে তৈরি হচ্ছিল দৌড়
ডাঁসা পেয়ারার সবুজ নিয়ে পতাকা উড্ডীন
দুর্গম স্থানে জলের ওপর তৈল দিয়ে সেতু নির্মাণ
রণক্লান্ত আমিকে উঠিয়ে পাশের বাড়ির আরেকটা আমি,
জবাফুলের বাগানে শিবির :
পরদিন ভোর ভোর না কাটা নখের ভিতর মাটি নিয়ে
উড়ে যাচ্ছিলাম অনেক অনেক আমি :
যারা সবাই পরশুদিন পান্তাভাত থেকে উঠে
মাথা উঁচু ক’রে কাঁধে তুলে নিয়েছিলাম আস্ত ব্রহ্মপুত্র…
Thursday, 19 September 2013
আশ্বিনের কবিতা ১৭
প্রতিবেদন
- রমিত দে
রান্না ধুতে গিয়ে
একটা মানুষ
গোটা বাড়ি জলের মধ্যে রেখেছে ।
নাড়া দাও, কাদায়
বুট ভিজিয়ে
জ্বরে নামুক খাবার টেবিল,
খোসায় নাকি
খালি পায়ে আনাজ এসেছে …
তরল চালাকি ধরে ফেলে
সাঁতার কাটছে
আর একটা মানুষ …
তার দরজায় লেখা: ‘ঘুমের ভেতর সুদীর্ঘ জেগে থাকো
তার দরজায় লেখা: ‘ঘুমের ভেতর সুদীর্ঘ জেগে থাকো
এক রাত্রে
ঘুমিয়ে পড়ার আগে’
ঘুম জলের ওপর ঘুরছে ।
জল ঘুমের নিচে
ঘনত্ব খুঁজছে ।
তাড়া খেয়ে
খেয়ে শীতকাল অবধি কারও গা ঘামছে
কেউ জলকে
দুকামড় দিয়ে
ঐখানে রেখে
যাচ্ছে জাল নামে …!
ঢেউ দিচ্ছে না
কেউ
ডুবে যাওয়ার
ভেতর রয়ে যাচ্ছে একটা ফাতনা
কেবল মেঝের জন্য মাটি তুলছে কেঁচো
আর হাসপাতাল
ধরে ধরে মাসখানেক ছুটি নিচ্ছে ইঁট
ওই যে ফুটো মশারি
জল ঢুকছে
জল ঢুকছে
স্বাস্থ্যে
ফেটে পড়ছে নদীর ব্লাউজ …
আশ্বিনের কবিতা ১৬
আয়নামহলের টেক্সটগুচ্ছ
-সোমতীর্থ নন্দী
৫
আমার মৃত্যুর থেকে কয়েক পা দূর
ভরে আছে অলীক দরজায়
প্রতিটি দরজাই নয়নমোহন
প্রতি দরজাই তুমি
তোমার জারজ ছায়ার স্নেহে
বেড়ে ওঠা দিন, আকুলি বিকুলি
রাত, যেন পালাবার পথ পায়না...
৬
সমস্ত আয়নার জনক পথের প্রসব বেদন
সমস্ত নিরবিচ্ছিন্ন আলো তার কোমর সাজায়
গোধূলির জলজ বুনট মেখে উঠে আসা হে মাতাল শিশু
গাছের নিভৃত প্রতীক্ষা, আমার বাঁধন জুড়ে ঘুরে আসছ বলে
তোমার পুঁজ রক্ত টের পাই, আমার বাঁড়ার তলায় বেড়ে উঠেছে...
Subscribe to:
Posts (Atom)






